যুগল কবিতাঃ “স্বপ্ন এঁকে যায় দুটি চোখে”
২৮ জুন ২০১৪ রাত ১২টা ৩০
বালিকাঃ
বাতাস গুমোট নয়
আকাশটা মেঘ কালো
বড় সাধ জাগছে আজ
হাঁটবো তোমার সাথে চলো।
বালকঃ
অফিসে বড্ডো কড়াকড়ি
এখনও মিলেনি যে ছুটি
বাজেনি ঘণ্টাটা হারিয়েছে কোথায়
রোম্যান্টিকতা বুঝি বা হেলায় হারায়!
বালিকাঃ
জানিনা আমি, কেমনে বেরুবে
বুঝবা, যখন আমাকে হারাবে
মনের বারোটা বাজাচ্ছো
ইচ্ছে করেই কি এসব করছো?
বালকঃ
ধুর গাধী, বুঝো কম
কাছে গেলেতো পাও শরম
দেখবোনি আজ কি কি দাও মোরে
মুখে আনো হাসি, রিকশা ছুটাও জোরে
বালিকাঃ
বৃষ্টিতে ভিজছি জ্যামের শহরে
এত কাছে অথচ এতটা দূরে
জড়াতে কাছে এসে প্রেম ডোরে
দূরে বসে ভিজছো কি তুমিও? আহারে!
...অতঃপর বালক বালিকার পথটি ফুরলে
বৃষ্টি থেমে গেছে তখন, বইছে বাতাস
মৃদুমন্দ
পাশাপাশি হাঁটাহাঁটি এইতো সামান্য চাওয়া
গল্পকার অথবা কবির মাথায় গজায় নতুন প্লট
দূরের আকাশে মেঘ ডুবে যায় মিটিমিটি হেসে
বালক বালিকা বাড়িতে ফেরে দু’চোখে স্বপ্ন
এঁকে
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন