সামান্য একটা গল্প পড়ার অনুরোধ ছিলো___
ব্লগের লিংকটা বিছিয়ে দিলাম
তোর হাতের তালুতে তুলে! পড়লি না তো!
অবশ্য,
এমন তো হতেই পারে;
ব্যস্ত জীবনের ঘড়ির কাঁটায়
সময়ের দৌঁড়ে হাপিয়ে হাঁপিয়ে জীবন চলেছি
সব।
কার কি সময় পরের দিকে ফিরে তাকাবার, ভাববার!
কত লেখায় রোজ আমাকেই ট্যাগ করা হচ্ছে,
চ্যাটবক্সেও কেউ কেউ ডাক দিয়ে যায়,
বলে- “লিংকটা দিলাম এগিয়েই, কষ্ট
হবে না,
শুধু পড়ে কৃতজ্ঞ করো আমার লেখাটিকে,
জানিও অনুভূতির প্রকাশ পেল কি পেলো না!”
মুখের কাছে বাড়িয়ে চোখের সামনে মেলে
ধরার পরেও
আমি সহসা মুখ ঘুরিয়ে ব্যস্তই থাকি নিজের
ভেতরে;
সেই আমিই কি স্বার্থপর!
নিজেই এবার বাড়িয়ে দিয়ে তোর নয়ন সম্মুখে,
নিজের কোন সুখ দুঃখের কল্পনা করা চিত্র
কেমন আঁকলাম তা জানতে হবে যে তোর থেকেই,
তাই যখনি দেখি তোকে, হাতে
গছিয়ে দেই,
“পড়ে দেখ না একটু,
এত কিসের কাজ!”
এভাবে বারে বারে বারে বলতে বলতে,
বোধোদয় হয় এইবার, “এমন
কি লেখা? ছাইপাশ!!!
ছুড়ে দিলেই সবাই পড়তে ঝাপিয়ে পরবে!”
এতক্ষণের প্রানান্ত অনুরোধের চেষ্টা
এবার পরিণত হয়,
নিজের আক্কেল সেলামীর দ্বন্দে,
হাতের তালুতে চোখ মুছে কান্না,
ফোচ ফোচ সর্দিও বাঁধিয়ে ফেলি বোকার মত,
আশ্চর্য্য এক অভিমানী, অবুঝ
আমি!
-------------------------------------------
জাকিয়া জেসমিন যূথী
২০-০৬-২০১২ ইং
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন